আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): ইরান, ইরাক, লেবানন, আফগানিস্তান, কাশ্মীর ও ব্রাজিলের বিভিন্ন ব্যক্তিত্ব—যাদের মধ্যে খ্রিস্টান, ইহুদি এবং অন্যান্য ধর্ম ও জাতিগোষ্ঠীর মানুষও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন—এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
ব্রাজিলের গণমাধ্যম কর্মী ও ‘সুমুদ’ (Sumud) কাফেলার সদস্য থিয়াগো আভিলা জনমত গঠনে ইসলামি বিপ্লবের সেই শহীদ নেতার ভূমিকার ওপর আলোকপাত করেন এবং পশ্চিমা তরুণদের উদ্দেশে লেখা তাঁর বার্তা ও চিঠিপত্রের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেন।
প্রখ্যাত ব্রাজিলীয় লেখক ও সাংবাদিক ব্রেনো আল্টম্যানও আধিপত্যবাদী ব্যবস্থা ও বিশ্ব সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে ওই শহীদ নেতার গুরুত্ব তুলে ধরেন; তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, তাঁর শাহাদাত কেবল ইরানের জন্যই কোনো ক্ষতি নয়, বরং তা বিশ্বজুড়ে মুক্তিকামী মানুষের জন্য এক যৌথ শোকের বিষয়।
অনুষ্ঠানটির অন্যান্য উল্লেখযোগ্য আয়োজনের মধ্যে ছিল ইসলামি বিপ্লবের সেই শহীদ নেতার জীবনীর ওপর নির্মিত একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন; ‘ইরানের ইসলামি বিপ্লব: ৪০ বছর পর’ (Iran’s Islamic Revolution: 40 Years Later) এবং ‘হজরত মরিয়ম (সা.) ও যিশু খ্রিস্ট (আ.)-এর বিষয়ে শহীদ নেতার বক্তব্য’ (The Martyred Leader’s Remarks on Saint Mary (SA) and Jesus Christ (AS))—শিরোনামে পর্তুগিজ ভাষায় রচিত দুটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন; তেহরানে শহীদ নেতার জানাজা ও শেষযাত্রার দৃশ্য সম্বলিত আলোকচিত্র প্রদর্শনী; এবং তাঁর পবিত্র মরদেহকে কেন্দ্র করে একটি প্রতীকী শোক-মিছিল।
ইমাম সাজ্জাদ (আ.)-এর শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে শোকগাথা পাঠ ও শোকানুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই আয়োজনটি সমাপ্ত হয়।
Your Comment